Tuesday, 26 December 2017

দেশনেত্রীকে ঘিরে পথে পথে বিএনপির শোডাউন

আদালতে হাজিরা শেষে গুলশানের বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে পৌঁছান পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন স্পটে শোডাউন করে করেছে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেল ৪ টার দিকে জিয়া অরফানেজ ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় হাজিরা দিয়ে বকশিবাজারে আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত থেকে বের হন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। আদালত থেকে বের হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মোড়ে আসলে বিএনপির অপেক্ষমাণ নেতাকর্মীরা তার গাড়িবহরে যুক্ত হন। এরপর সেখান থেকে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শোডাউন করে সামনে অগ্রসর হন তিনি। পথে পথে গাড়িবহরে নেতাকর্মীরা যুক্ত হওয়ায় যে পথ দিয়ে বেগম জিয়া গুলশানের দিকে অগ্রসর হচ্ছিলেন সেসব রুটে যানচলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে।
এদিকে গত সপ্তাহে হাইকোর্ট মাজার গেটে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। তবে মঙ্গলবারের চিত্র ছিল একেবারেই ভিন্ন। সকাল থেকে আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থানরত নেতাকর্মীদের সঙ্গে দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। কিছু সময়ের জন্য হাইকোর্টের মাজার গেট আটকিয়ে রাখলেও খালেদা জিয়াকে বহনকারী গাড়িটি দোয়েল চত্বর অতিক্রম করার পর খুলে দেয়া হয়। এরপর মিছিল দিয়ে গাড়িবহরের সঙ্গে যুক্ত হন হাইকোর্টের ভেতর অবস্থানরত নেতাকর্মীরা। পরে কদম ফোয়ারা, মৎস ভবন মোড়, কাকরাইল মোড় হয়ে হয়ে রুপসী বাংলা হোটেল পর্যন্ত নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ধীরে ধীরে অগ্রসর হন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।
এরআগে খালেদা জিয়ার আদালতে হাজিরা দেয়াকে কেন্দ্র করে পুরান ঢাকার বিশেষ জজ আদালত এলাকা ও আশপাশের এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিশেষ করে হাইকোর্ট এলাকায় নজরদারি ছিল বেশি। বিশেষ আদালত এলাকায় গিয়ে পুলিশের ব্যাপক উপস্থিত লক্ষ্য করা গেছে।
গতদিনের মতো আদালতে প্রবেশের পথে স্থাপন করা হয়েছে আর্চওয়ে। এর পাশপাশি পুলিশের হাতে আছে হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টরও। আদালত চত্বরে আনা হয়েছে অত্যাধুনিক প্রিজনভ্যান। ভেতরে আসামির গতিবিধি পর্যবেক্ষণে এর ভেতরে ছিল ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরাও।
আদালত চত্বরে যে প্রিজন ভ্যানটি আনা হয়েছে সেটির চালক রফিকুল বলেন, ‘ইতালি থেকে তিনটি বুলেট প্রুফ প্রিজনভ্যান কেনা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি দেয়া হয়েছে ডিএমপিকে। অন্যটি গাজীপুর পুলিশকে দেয়া হয়েছে। এসব প্রিজন ভ্যানে ছয় স্তরের নিরাপত্তা আছে।’
Facebook page
মুঠোফোনে কুমিল্লার অালোকে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংদের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ওমর ফারুক মুন্না বলেন দেশনেত্রীর পাহাড়ায় ছাত্রদল সবসময় রাজপথে অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে থাকবে ।দেশনেত্রীকে  গ্র‌েফতারের বৃথা চেষ্টা করলে সারাদেশ অচল  করে দিব ।

Friday, 22 December 2017

একজন ওমর ফারুক মুন্না

একজন ওমর ফারুক মুন্না

ওমর ফারুক মুন্না রাজপথে নির্যাতিত ছাত্রদলের একটি বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, ছাত্রদলের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে  যার সংগ্রামী ছাত্ররাজনৈতিক জীবনের পথ চলা শুরু। দীর্ঘ সংগ্রাম রাজপথের সাহসী ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতার সাথে দলকে সুসংগঠিত করতে নেতৃবৃন্দের প্রতি আনুগত্যশীল থেকে অবিরাম নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। যার ফলপ্রসূ হিসেবে তার দীর্ঘ সংগ্রাম এবং রাজপথে ভূমিকাকে মূল্যায়ন করে কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়েছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। তারপর দায়িত্ব পেয়ে তিনি হয়ে উঠেন রাজপথে নির্যাতিত ছাত্রদের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর,অনেক নির্যাতন, হামলা-মামলার শিকার হওয়া সত্ত্বেও তিনি থেমে থাকেননি এগিয়ে গিয়েছেন, এগিয়ে গিয়েছেন রাজপথে অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে বেগবান করার লক্ষ্যে, নিজের সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করে গেছেন দলকে সুসংগঠিত করতে।তারপর সময় অনেক গড়িয়েছে নির্যাতন হামলা মামলার বহুবার শিকার হয়েছেন, নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। তারপর এই অগণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী সরকারের রোষানলের শিকার হন, তারপর তিনি দমে যাননি ফিরেছেন, ফিরেছেন আগের চাইতেও বেশি লক্ষণীয়, এবং বলিষ্ঠ চরিত্রে, প্রানপন চেষ্টা করে গেছেন তার ওপর অর্পিত দায়িত্বকে যথাযথভাবে পালন করতে।Facebook pageবিশেষ করে ৫ই জানুয়ারি নির্বাচনের আগে এবং পরে, দেওয়া হয়েছে হয়রানিমূলক বহু মামলা, কাটাতে হয়েছে ফেরারী জীবন। কোনো অত্যাচারেই থামাতে পারেনি ওমর ফারুক মুন্নার রাজপথের সংগ্রামী ছাত্র রাজনৈতিক পথ চলা, আজও ওমর ফারুক মুন্নাকে দেখা যায়, দেখা যায় রাজপথে ছাত্রদলের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর রূপের। আজও তিনি স্লোগান ধরেন দেশনেত্রীর কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে, দেশনেত্রীর ভয় নাই ছাত্রদল রাজপথ ছাড়ে নাই। এভাবেই অবিরাম ছুটে চলা বকশিবাজার থেকে গুলশান, গুলশান থেকে বকশিবাজার, বিমানবন্দর থেকে গুলশান, গুলশান থেকে উখিয়া । এভাবেই লড়তে থাকুক ওমর ফারুক মুন্নারা, কারণ ওমর ফারুক মুন্নারা রাজপথে থাকলেই বাংলাদেশ পাবে তার কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্র, দেশের মানুষ পাবে তাদের ন্যায্য অধিকার।

তাই আজ‌কে হাইকমা‌ন্ড ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে তৃণমূল ছাত্রদ‌লের দাবি নির্যাতিত এবং ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা হোক। নব্বইয়ের-নেয় ছাত্রদলের স্লোগান গর্জে উঠুক আরেকবার ।

প্রতিবেদকঃ
মোশাররফ হোসেন হৃদয়
মালোশিয়া ।

একজন ওমর ফারুক মুন্না

একজন ওমর ফারুক মুন্না

ওমর ফারুক মুন্না রাজপথে নির্যাতিত ছাত্রদলের একটি বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, ছাত্রদলের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে  যার সংগ্রামী ছাত্ররাজনৈতিক জীবনের পথ চলা শুরু। দীর্ঘ সংগ্রাম রাজপথের সাহসী ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতার সাথে দলকে সুসংগঠিত করতে নেতৃবৃন্দের প্রতি আনুগত্যশীল থেকে অবিরাম নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। যার ফলপ্রসূ হিসেবে তার দীর্ঘ সংগ্রাম এবং রাজপথে ভূমিকাকে মূল্যায়ন করে কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়েছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। তারপর দায়িত্ব পেয়ে তিনি হয়ে উঠেন
রাজপথে নির্যাতিত ছাত্রদের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর,অনেক নির্যাতন, হামলা-মামলার শিকার হওয়া সত্ত্বেও
তিনি থেমে থাকেননি এগিয়ে গিয়েছেন, এগিয়ে গিয়েছেন রাজপথে অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে বেগবান করার লক্ষ্যে, নিজের সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করে গেছেন দলকে সুসংগঠিত করতে।
তারপর সময় অনেক গড়িয়েছে নির্যাতন হামলা মামলার বহুবার শিকার হয়েছেন, নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। তারপর এই অগণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী সরকারের রোষানলের শিকার হন, তারপর তিনি দমে যাননি ফিরেছেন, ফিরেছেন আগের চাইতেও বেশি লক্ষণীয়, এবং বলিষ্ঠ চরিত্রে, প্রানপন চেষ্টা করে গেছেন তার ওপর অর্পিত দায়িত্বকে যথাযথভাবে পালন করতে।
বিশেষ করে ৫ই জানুয়ারি নির্বাচনের আগে এবং পরে, দেওয়া হয়েছে হয়রানিমূলক বহু মামলা, কাটাতে হয়েছে ফেরারী জীবন। কোনো অত্যাচারেই থামাতে পারেনি ওমর ফারুক মুন্নার রাজপথের সংগ্রামী ছাত্র রাজনৈতিক পথ চলা, আজও ওমর ফারুক মুন্নাকে দেখা যায়, দেখা যায় রাজপথে ছাত্রদলের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর রূপের। আজও তিনি স্লোগান ধরেন দেশনেত্রীর কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে, দেশনেত্রীর ভয় নাই ছাত্রদল রাজপথ ছাড়ে নাই। এভাবেই অবিরাম ছুটে চলা বকশিবাজার থেকে গুলশান, গুলশান থেকে বকশিবাজার, বিমানবন্দর থেকে গুলশান, গুলশান থেকে উখিয়া । এভাবেই লড়তে থাকুক ওমর ফারুক মুন্নারা, কারণ ওমর ফারুক মুন্নারা রাজপথে থাকলেই বাংলাদেশ পাবে তার কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্র, দেশের মানুষ পাবে তাদের ন্যায্য অধিকার।

তাই আজ‌কে হাইকমা‌ন্ড ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে তৃণমূল ছাত্রদ‌লের দাবি নির্যাতিত এবং ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা হোক। নব্বইয়ের-নেয় ছাত্রদলের স্লোগান গর্জে উঠুক আরেকবার।Facebook page

একজন ওমর ফারুক মুন্না

একজন ওমর ফারুক মুন্না

ওমর ফারুক মুন্না রাজপথে নির্যাতিত ছাত্রদলের একটি বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, ছাত্রদলের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে  যার সংগ্রামী ছাত্ররাজনৈতিক জীবনের পথ চলা শুরু। দীর্ঘ সংগ্রাম রাজপথের সাহসী ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতার সাথে দলকে সুসংগঠিত করতে নেতৃবৃন্দের প্রতি আনুগত্যশীল থেকে অবিরাম নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। যার ফলপ্রসূ হিসেবে তার দীর্ঘ সংগ্রাম এবং রাজপথে ভূমিকাকে মূল্যায়ন করে কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়েছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। তারপর দায়িত্ব পেয়ে তিনি হয়ে উঠেন রাজপথে নির্যাতিত ছাত্রদের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর,অনেক নির্যাতন, হামলা-মামলার শিকার হওয়া সত্ত্বেও Facebook pageতিনি থেমে থাকেননি এগিয়ে গিয়েছেন, এগিয়ে গিয়েছেন রাজপথে অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে বেগবান করার লক্ষ্যে, নিজের সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করে গেছেন দলকে সুসংগঠিত করতে।
তারপর সময় অনেক গড়িয়েছে নির্যাতন হামলা মামলার বহুবার শিকার হয়েছেন, নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। তারপর এই অগণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী সরকারের রোষানলের শিকার হন, তারপর তিনি দমে যাননি ফিরেছেন, ফিরেছেন আগের চাইতেও বেশি লক্ষণীয়, এবং বলিষ্ঠ চরিত্রে, প্রানপন চেষ্টা করে গেছেন তার ওপর অর্পিত দায়িত্বকে যথাযথভাবে পালন করতে।
বিশেষ করে ৫ই জানুয়ারি নির্বাচনের আগে এবং পরে, দেওয়া হয়েছে হয়রানিমূলক বহু মামলা, কাটাতে হয়েছে ফেরারী জীবন। কোনো অত্যাচারেই থামাতে পারেনি ওমর ফারুক মুন্নার রাজপথের সংগ্রামী ছাত্র রাজনৈতিক পথ চলা, আজও ওমর ফারুক মুন্নাকে দেখা যায়, দেখা যায় রাজপথে ছাত্রদলের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর রূপের। আজও তিনি স্লোগান ধরেন দেশনেত্রীর কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে, দেশনেত্রীর ভয় নাই ছাত্রদল রাজপথ ছাড়ে নাই। এভাবেই অবিরাম ছুটে চলা বকশিবাজার থেকে গুলশান, গুলশান থেকে বকশিবাজার, বিমানবন্দর থেকে গুলশান, গুলশান থেকে উখিয়া । এভাবেই লড়তে থাকুক ওমর ফারুক মুন্নারা, কারণ ওমর ফারুক মুন্নারা রাজপথে থাকলেই বাংলাদেশ পাবে তার কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্র, দেশের মানুষ পাবে তাদের ন্যায্য অধিকার।

তাই আজ‌কে হাইকমা‌ন্ড ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে তৃণমূল ছাত্রদ‌লের দাবি নির্যাতিত এবং ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা হোক। নব্বইয়ের-নেয় ছাত্রদলের স্লোগান গর্জে উঠুক আরেকবার।

Saturday, 4 November 2017

ছাত্রদলের নতুন কমিটির দাবিতে শোডাউন

বিএনপির অন্যতম সহযোগি সংগঠন মেয়াদোত্তীর্ণ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কমিটির দাবিতে আবারো শো ডাউন করেছে পদ প্রত্যাশী নেতৃবৃন্দ। আজ সকাল ১১টা থেকে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তারা অবস্থান নেন। এসময়ে একটি প্রতিনিধি দল নতুন কমিটির দাবিতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এর সাথে দেখা করেন। 
এসময়ে নজরুল ইসলাম খান ও আব্দুল্লাহ আল নোমান সহ আরো সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলন। ছাত্রদলের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দানকারী সংগঠনের  সিনিয়র সহ সভাপতি মামুন অর রশিদ মামুন বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামের ভ্যানগার্ড হিসেবে পরিচিত এই সংগঠনের মেয়াদ শেষ হয়েছে আনেক আগে।
কিন্তু নতুন কমিটি গঠন না করায় এখন ভঙ্গুর অবস্থায় পরিনত হচ্ছে এই সংগঠন। তাই সংগঠনকে শক্তিশালী করতে দ্রুত নতুন কমিটির প্রয়োজন। সাংগঠনিক সম্পাদক  ইসহাক সরকার জানান, ছাত্রদলের কমিটিতে এখন চেইন অব কমান্ড বলতে কিছু নেই। এ অবস্থা থেকে সংগঠনকে আরো গতিশীল করতে নতুন কমিটির বিকল্প নেই। মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম তাদের সকলের কথা শুনেন ও তাদের আশস্থ করে বলেন, ছাত্রদলের নতুন কমিটির বিষয়ে তাদের দাবি নিয়ে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাথে কথা বলবেন। এসময়ে তিনি আরো বলেন ছাত্রদলের কমিটি গঠনের জন্য দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এ সময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন সহ সভাপতি আলমগীর হাসান সোহান, নাজমুল হাসান, আবু আতিক আল হাসান মিন্টু, আব্দুল ওয়াহাব, জহিরুল ইসলাম বিপ্লব, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ,ওমর ফারুক মুন্না, বায়েজিদ আরেফিন, শফিউদ্দিন শফি, আবুল হাসান, নুরুল হুদা বাবু, জাকির হোসেন বাবু, ফয়জুল্লাহ ফয়েজ সহ কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন ইউনিটের তিন শতাধিক নেতাকর্মী। 
উপস্থিত নেতাকর্মীরা জানান, আমরা নতুন কমিটির জন্য এখন পর্যন্ত আশাবাদী। কিন্তু কোন ষড়যন্ত্র এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বাধার সৃষ্টি করলে আমরা কঠোর আন্দোলনে যাবো বলেও হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন।Facebook page

Wednesday, 11 October 2017

বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা-জারির প্রতিবাদে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ

বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা-জারির প্রতিবাদে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ: Facebook page

বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশ‌নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জর্জ কর্তৃক কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বোমা হামলায় মিথ্যা বানোয়াট ও হয়রানি মূলক গ্রেফতারি পরোয়ানা-জারির বিরুদ্ধে উত্তাল সারা দেশ। সেই সাথে বিএনপির ঘাঁটি বলে পরিচিত উত্তাল কুমিল্লার জনপদ। কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রতিবাদ কর্মসূচীর অংশ হিসেবে কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলার বিএনপি ও তাদের সহযোগী সংগঠন ছাত্রদল, যুবদল সহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ অংশ গ্রহন করেন। এছাড়াও বিএনপির কেন্দ্রীয় জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য জনাব মাহফুজুর রহমান নেতৃত্বে হোমনা উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে হোমনায় এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। এই সময় উপস্থিত ছিলেন হোমনা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ আব্দুল আজিজ মোল্লা ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।

Friday, 6 October 2017

কুমিল্লা তিতাস উপজেলার ৫নং কলাকান্দি ইউনিয়ন ছাত্রদলের নতুন কমিটি অনুমোদন

কুমিল্লা তিতাস উপজেলার ৫নং কলাকান্দি ইউনিয়ন ছাত্রদলের নতুন কমিটি অনুমোদন ক‌রে‌ছে তিতাস উপজেলা ছাত্রদল।গত ৬ অক্টোবর শুক্রবার বিকাল ৪টায় কলাকান্দি ইউ‌নিয়ন বাজারের ব্রাইট ফিউচার চাইল্ড স্কুল মাঠে  এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মাইনুদ্দিন সরকার ও সাধারন সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম এর যৌথ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ক‌মি‌টি ঘোষনা করা হয়।

বড় মা‌ছিমপুর গ্রা‌মের মোঃ মনির হোসাইন‌কে সভাপতি ও কলাকা‌ন্দি গ্রা‌মের  মাজহারুল ইসলাম টিপুকে সাধারন সম্পাদক করে ৬ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটির বা‌কি সদস্যরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি সফিউল্লাহ খান, সহ-সভাপতি আদনান হাবিব, সি‌নিয়র যুগ্ম -সাধারণ সম্পাদক মোঃ নুরু কবি ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মামুন মিয়া।

Wednesday, 4 October 2017

‌তিতা‌সে তুচ্ছ ঘটনা‌কে কেন্দ্র ক‌রে সংঘ‌র্ষে অাহত ৬

তিতাস (কুমিল্লা), ০৪ অক্টোবর কুমিল্লার অালো : কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৬ জন আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে আজ বুধবার সকাল আনুমানিক ৮টায় উপজেলার নয়াকান্দি বাজারে।স্থানীয়দের সুত্রে জানা যায় নয়াকান্দি গ্রামের মৃত রমিজ খানের ছেলে সাদ্দাম হোসেনকে গালিগালাজ করেছে বলে একই গ্রামের মোঃ মোশারফ মিয়ার ছেলে মোঃ হাছান আলী।

বিষয়টি সাদ্দাম গ্রামের একাদিক ব্যাক্তিকে জানালে হাছান আলী সাদ্দামের নিকট জানতে চায় যে তোমাকে আমি গালিগালাজ করিনি তুমি কেন আমার নামে বিচার দিচ্ছ। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডার এক পর্যায় স্থানীয়রা সাদ্দামও হাছান আলীকে যার যার বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয়।

তারই জের ধরে আজ বুধবার সকালে একই গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে শাহপরান উপজেলার বন্দরামপুর স্টেশন তার নিজ দোকান থেকে নয়াকান্দি বাজারে পৌছলে প্রতিপক্ষ সাদ্দামসহ আরো ৭/৮ জন পূব পরিকল্পিতভাবে শাহপরানকে এলোপতারি মারধর শুরু করলে এসময় বাজারে থাকা উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জরিয়ে পরে এতে উভয় পক্ষের অন্তত্য ৬ জন আহত হয়।

আহতহদের মধ্যে আনিছ, সজিব ও সুমনকে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতরা হলো মামুন, হাছান আলী ও শাহপরান এদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তিতাস থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন।

প্রধান বিচারপতিকে জোর করে দায়িত্ব পালনে বিরত রাখা হয়েছে : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ।

প্রধান বিচারপতিকে জোর করে দায়িত্ব পালনে বিরত রাখা হয়েছে : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ।
Facebook page
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেছেন, প্রধান বিচারপতি অসুস্থ নন। তাকে জোর করে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখা হয়েছে। সর্বোচ্চ আদালতের সর্বোচ্চ বিচারপতির সাথে এমন আচরণ থেকে প্রমাণিত হয় যে, সরকার অস্তিত্ব সঙ্কটের ভীতিতে বেসামাল হয়ে পড়েছে। আজ বুধবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব একথা বলেন।

ফখরুল বলেন, প্রধান বিচারপতি মাত্র ক’দিন আগে জাপান ও কানাডা সফর করে এসেছেন। এসব দেশে উন্নত চিকিৎসার থাকা সত্ত্বেও তিনি সেখানে কোনো চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন বলে দেশবাসী জানেনা। এমনকি গত পরশু তিনি সুপ্রীম কোর্টে তার কার্যালয়ে বসে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, ফাইল সই করেছেন। নিয়মিত প্রথা অনুযায়ী গতকাল সকল বিচারপতিকে নিয়ে আইনজীবীদের সাথে পূণর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্তও দিয়েছিলেন। অথচ গতকাল আইনমন্ত্রী ও এটর্নি জেনারেল মিডিয়াকে জানিয়েছেন যে, তিনি নাকি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ছুটি নিয়েছেন।

ফখরুল বলেন, গত পরশু সন্ধ্যায় তার বাসভবনে সাক্ষাৎপ্রার্থী সুপ্রীম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে তার পক্ষ থেকে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনেই জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, মাননীয় প্রধান বিচারপতি বলেছেন- ‘আমি সুস্থ আছি কিন্তু কথা বলতে পারবো না’। এসব কিছু থেকে প্রমানিত হয় যে, প্রধান বিচারপতি অসুস্থ নন। তাকে জোর করে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, সর্বোচ্চ আদালতের সর্বোচ্চ বিচারপতির সাথে এমন আচরণ করা থেকে প্রমানিত হয় যে, সরকার অস্তিত্ব সংকটের ভীতিতে বেসামাল হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, ভোট ও ভোটারবিহীন এক নির্বাচনী প্রহসনের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন বর্তমান সরকারী দল আওয়ামী লীগ ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি কয়েক মিনিটের মধ্যে বহুদলীয় সংসদীয় গণতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় স্বৈরশাসন বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিল। স্বাধীনভাবে রাজনৈতিক বিশ্বাস লালন করার জন্য অন্য কোনো দল গঠনের অধিকার থেকে জনগণকে বঞ্চিত করা হয়েছিল। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল। এমনকি বিচার বিভাগকে প্রশাসনের অধীন করা হয়েছিল। উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগ ও বরখাস্তের ক্ষমতা ছিল প্রশাসনের প্রধান রাষ্ট্রপতির হাতে। আজ আবার সেই রাজনৈতিক দলটিই কৌশলে ক্ষমতা দখল করে সুকৌশলে বাকশাল কায়েমের অপচেষ্টায় রত হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনী প্রহসনের মাধ্যমে অনুগত বিরোধী দল সাজিয়ে প্রকৃতপক্ষে একদলীয় সরকার কায়েম করেছে। প্রশাসন ও নিম্ন আদালতকে কুক্ষিগত করেছে। অবাধে রাজনৈতিক তৎপরতা চালানো এবং স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের অধিকার প্রতিনিয়ত বাধাগ্রস্ত করছে। গুম, খুন, মিথ্যা মামলা দিয়ে বিরোধী মতের জনগণের জন্য স্বাভাবিক রাজনৈতিক তৎপরতা চালানো অসম্ভব করে তুলেছে। এই পরিস্থিতিতে সুবিচার পাওয়ার সর্বশেষ ভরসাস্থল উচ্চ আদালতও আজ স্বৈরাচারী সরকারের আক্রমণের শিকারে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের সর্বসম্মত রায় দেয়ার পর থেকে সর্বোচ্চ আদালত এবং তার সম্মানিত বিচারপতিগণকে সরকার প্রধান থেকে সরকারের মন্ত্রীবর্গ ও সরকারী দল ও জোটের নেতাকর্মীরা অসাংবিধানিক, অযৌক্তিক ও কুৎসিত ভাষায় সমালোচনা করে চলেছেন। এমনকি জাতীয় সংসদে যে ভাষায় সর্বোচ্চ আদালত ও তার বিচারপতিগণের সমালোচনা করা হয়েছে তা শুধু অভূতপূর্ব নয়-অস্বাভাবিক।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, সর্বোচ্চ আদালতের রায় পছন্দ না হলে তা রিভিউ করার সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় না গিয়ে সরকার দেশের প্রবীন বিচারপতিকে নজিরবিহীনভাবে ছুটি নিতে বাধ্য করার যে নোংরা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তার বিরুদ্ধে দেশের আইনজীবী সমাজের পাশাপাশি সচেতন জনগণ প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন।

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, আমরা সর্বোচ্চ আদালতের বিরুদ্ধে সরকারের এহেন আক্রোশমূলক, ঘৃণ্য আচরণের তীব্র নিন্দা জানাই এবং শক্তি প্রয়োগের দ্বারা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণের মাধ্যমে বিচার বিভাগকে অনুগত করার সরকারী অপচেষ্টার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহবান জানাচ্ছি।

প্রধান বিচারপতিকে ছুটি নিতে বাধ্য করে সরকার নোংরা কাজ করেছে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব। প্রধান বিচারপতির বর্তমান অবস্থান কী তা জাতি জানতে চায় বলেও জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘প্রধান বিচারপতিকে জোর করে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখা হয়েছে। এতে প্রমাণিত হয় অস্তিত্ব সংকটের ভীতিতে বেসামাল হয়ে গেছে। প্রধান বিচারপতি অসুস্থ নন।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, নাজমুল হক নান্নু ও বিএনপি নেতা আবদুস সালাম আজাদ, আবদুল আউয়াল খান, আমিনুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম পটু প্রমুখ।

Wednesday, 27 September 2017

মানবতার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো ছাত্রদ‌ল নেতা ওমর ফারুক মুন্না ।

মানবতার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো ছাত্রদ‌ল নেতা ওমর ফারুক মুন্না ।

সা‌বেক প্রধানমন্ত্রী বিএন‌পি চেয়ারপার্সন দেশ‌নেত্রী বেগম খা‌লেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান জনাব তা‌রেক রহমা‌নের পক্ষ থে‌কে টেকনা‌ফ উ‌খিয়ার বালুখালি  নির্যা‌তিত নি‌পিড়ীত অসহায় ৫০০ রো‌হিঙ্গা‌ প‌রিবার‌কে  ত্রাণ সামগ্রী ও নগদ টাকা বিতরণ ক‌রেন জগন্নাথ বিশ্ব‌বিদ্যালয় ছাত্রদ‌লের সা‌বেক সাধারণ সম্পাদক ও ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংস‌দের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক মুন্না। এই সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহঃ দপ্তর সম্পাদক ইশতিয়াক মাহমুদ মানিক, মোঃ ইলিয়াস সহঃ স্কুল বিষয়ক সম্পাদক, সাইদুর রহমান সোহেল সহঃ বেসরকারী বিষয়ক সম্পাদক , রাশেদুল হক রাশেদ সহঃ সভাপতি কক্সবাজার জেলা ছাত্রদল। সাইফুল ইসলাম সুমন সহঃ সভাপতি চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, মোজাহিদুল ইসলাম পারভেজ সহঃ সাধারণ সম্পাদক ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদল, হাবিবুল্লা সহঃ সম্পাদক ঢাকা কলেজ ছাত্রদল,জিয়াউর রহমান খন্দকার সহঃ সাংগঠনিক সম্পাদক ঢাকা কলেজ ছাত্রদল, নুরুল ইসলাম লিপু বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল, এম এ হাশেম চট্রগ্রাম মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদল, অন্তর দে বিশ্বাস কক্সবাজার উপজেলা ছাত্রদল, যুবরাজ ইসলাম রাসেল কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদল, রুবেল খান রাজ স্বেচ্ছাসেবক দল তিতাস উপজেলা, ও কক্সবাজার জেলা-উপজেলা, মহানগর সহ বিভিন্ন ইউনিট এর ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য কিছু দিন আগেও অসহায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করে ওমর ফারুক মুন্না সারা বাংলাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি করে ছিল। সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে এমন একটি মহৎ কাজ, মানবতা মূলক সেবা ও নিঃস্বার্থহীন মানুষের প্রতি মানুষের ভালবাসার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য সত্যিই যোগ্য প্রসংশার দাবিদার ছাত্রদল নেতা ওমর ফারুক মুন্না। রিপোর্ট টি লেখার আগমূহুর্ত পর্যন্ত ছাত্রদল নেতা ওমর ফারুক মুন্নার মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কুমিল্লার আলো কে জানায় মানুষ মানুষের জন্য, আমি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারুণ্যের অহংকার আগামীর রাষ্ট্র নায়ক আমার নেতা জনাব তারেক রহমানের নির্দেশে মাঠে বেরিয়েছি। আমার একটুখানি প্রচেষ্টা যদি অসহায় রোহিঙ্গাদের মুখে হাঁসি ফুঠায় তাতে খারাপ কি। আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সেই সাথে আমি সকল কে অনুরোধ করবো দলমত নির্বিশেষে আর্ত-মানবতার সেবায় আমরা যেন অসহায় রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়াই।Facebookpage

Saturday, 26 August 2017

রংপুরে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন ওমর ফারুক মুন্না

তিন বা‌রের সা‌বেক প্রধানমন্ত্রী বিএন‌পির চেয়ারপার্সন বেগম খা‌লেদা জিয়া ও বিএন‌পির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান জনাব তা‌রেক রহমা‌নের নি‌র্দে‌শে রংপুরের পীরগাছা উপজেলার তাম্বুলপুর ইউনিয়নে বন্যা কব‌লিত অসহায় ও ক্ষ‌তিগ্রস্থ ৫০০ প‌রিবারের মা‌ঝে ত্রান বিতরন ক‌রেন জগন্নাথ বিশ্ব‌বিদ্যালয় ছাত্রদ‌লের সা‌বেক সাধারন সম্পাদক ও ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংস‌দের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ওমর ফারুক মুন্না ।

এসময় অার ও উপ‌স্থিত ছি‌লেন রংপুর জেলা বিএন‌পির সি‌নিয়র নেতৃবৃন্দ সহ যুবদল,ছাত্রদল,স্বেচ্ছা সেবকদল,শ্রমীকদলের নেতৃবৃন্দ এবং ছাত্রদ‌লের বি‌ভিন্ন ইউ‌নি‌টের নেতৃবৃন্দ ।Facebook page

Monday, 24 July 2017

ছাত্রদলের শীর্ষ দুই পদে যারা অাসতে পারে।অালমগীর হাসান সোহান,ইসহাক সরকার,ওমর ফারুক মুন্না ও নুরুল হুদা বাবু ।





ছাত্রদলের শীর্ষ দুই পদে যারা অাসতে পারে।Facebook page
বাংলা‌দেশ জাতীয়তাবাদী দল  বিএনপির রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামের ভ্যানগার্ড হিসেবে পরিচিত ছাত্রদল ।দ‌ক্ষিন এ‌শিয়ার সববৃহৎ ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। মেয়াদোত্তীর্ণ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কমিটি খুব শিগগিরই ঘোষণা হ‌তে পা‌রে।আর এ কারণে পদ প্রত্যাশী নেতাকর্মীরাও দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন। নেতাদের বাড়িতে ধরনা দিচ্ছেন, নিজেদের আমলনামার ফিরিস্তি তুলে তদবির করছেন। আবার সুবিধাবাদী ছাত্র নেতারাও সিন্ডিকেটের উপর ভর করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।

বিএনপির আন্দোলনে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ এই সংগঠনটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে ইতোমধ্যে নতুন কমিটি গঠনের দাবিতে একাট্টা হয়েছেন সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

তৃণমূল নেতাকর্মী‌দের অাশা ত্যাগী,যোগ্য,অা‌ন্দোলন সংগ্রা‌ম ও রাজপ‌থে স‌ত্রিুয় এমন এক‌টি ক‌মি‌টি উপহার দি‌বেন দেশ‌নেত্রী বেগম খা‌লেদা জিয়া ও তা‌রেক রহমান ।

দেশ‌নেত্রী বেগম খা‌লেদা জিয়া বর্তমা‌নে লন্ড‌নে অা‌ছেন পুত্র তা‌রেক রহমা‌নের বাসায় ।‌চি‌কিৎসার জন্য তি‌নি লন্ডনে গে‌ছেন ।লন্ডন থে‌কে ফি‌রেই দেশ‌নেত্রী বেগম খা‌লেদা জিয়া ঘোষনা দি‌তে পা‌রেন ছাত্রদ‌লের নতুন ক‌মি‌টি ।

নতুন ক‌মি‌টি‌তে সভাপ‌তি প‌দে বেশ অা‌লোচনায় অা‌ছে অালমগীর হাসান সোহান ।‌তি‌নি বর্তমান ছাত্রদল কেন্দ্রীয় ক‌মি‌টির সহ সভাপ‌তি ।অসংখ্য মামলা নি‌য়ে তি‌নি রাজপ‌থে দ‌লের জন্য দা‌য়িত্ব পালন ক‌রে যা‌চ্ছে।সাংগঠ‌নিক সম্পাদক ইসহাক সরকার ও বেশ অা‌লোচনায় অা‌ছে।‌সি‌নিয়র এই  ছাত্রনেতা ছাত্রদ‌লের শীর্ষ প‌দে যে‌তে অ‌নেক মামলা,হামলা ও জীব‌নের ঝু‌কি নি‌য়ে রাজপ‌থে স‌ত্রিুয়ভা‌বে দা‌য়িত্ব পালন করে যা‌চ্ছে।

অার সাধারন সম্পাদক প‌দে বেশ অা‌লোচনায় অা‌ছে জগন্নাথ বিশ্ব‌বিদ্যালয় ছাত্রদ‌লের সা‌বেক সফল সাধারন ও বর্তমান ক‌মি‌টির যুগ্ম সম্পাদক ওমর ফারুক মুন্না ।কর্মীবান্ধব মেধাবী এই  ছাত্র‌নেতা অসংখ্য মামলা হামলা ও জীব‌নের ঝু‌কি‌ নি‌য়ে সরকার বি‌রোধী অা‌ন্দোল‌নে রাজপ‌থে স‌ত্রিুয় ।তার স্লোগা‌নে ক‌ম্পিত ঢাকার রাজপথ ।যুগ্ম সম্পাদক নুরুল হুদা বাবু ও স‌াধারন সম্পাদক প‌দে অা‌লোচনায় অা‌ছে ।

Friday, 21 July 2017

জনপ্রিয় নেতা ওমর ফারুক মুন্নাকে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চায় তৃণমূলের নেতৃবৃন্দ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদের এক সূর্য সৈনিক, শহীদ জিয়ার আর্দশকে বাস্তবায়নের এক স্বপ্নবাজ যুবক, অসীম সাহসীকতা ও অকুতোভয় নেতৃত্বের অধিকারি, গনতন্ত্রকে পুনঃ প্রতিষ্ঠার লক্ষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত কে শক্তিশালী করার প্রয়াসই যার ধ্যান জ্ঞান, যুব সমাজের নয়নের মনি, অবৈধ সরকারের আতঙ্ক, কিংবদন্তী একজন নেতা জনাব ওমর ফারুক মুন্না।
তিনি বর্তমানে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ এর যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। তার নেতৃত্ব, আবেগ ঘন বচন ভঙ্গি, অগ্নি ঝরা স্লোগান, নিরলস পরিশ্রম আর অগ্নিস্ফুলিঙ্গের মতো বক্তব্যে ছাত্রদলকে আজ সবচেয়ে সু সংগঠিত ও শক্তিশালী এক ইউনিট হিসেবে ব্যপক ভাবে পরিচিতি লাভ করেছে।
শুধু তাই নয় তৃণমূল থেকে উঠে আসা জনাব ওমর ফারুক মুন্না জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল এর নির্বাচনের মাধ্যমে একমাত্র নির্বাচিত ও জনপ্রিয় সাধারন সম্পাদক ছিলেন। অতীতেও তার অসাধারন নেতৃত্বের গুনাবলিতে ছাত্রদলকে সু সংগঠিত, জনপ্রিয় ও শক্তিশালী সাংগঠনিক ইউনিট হিসেবে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আস্থা অর্জন করেছিলো।
তরুন এই যুবনেতা জনাব ওমর ফারুক মুন্না’র নিজস্ব অঞ্চল তথা কুমিল্লা, ঢাকা সহ সারাদেশ ব্যাপী তার আকাশ চুম্বি জনপ্রিয়তা লক্ষ করা যায় এবং দলের প্রতিটি কর্মসূচিতে সু-বিশাল কর্মী বাহিনি সহকারে তার আগুন ঝরানো স্লোগানে অংশ গ্রহন কর্মীদের মনস্তাত্বিক চিন্তা শক্তি ও সাহসীকতা আরও অনেক গুন বাড়িয়ে দেয়।
১/১১ এর সময় যখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃবৃন্দকে একে একে গ্রেফতার ও গুম করে এবং দলের অনেক বড় বড় নেতৃবৃন্দ দলের সাথে বেঈমানি করেছেন, তখন তরুন ওমর ফারুক মুন্না তার অজস্র কর্মীদের নিয়ে দলের জন্য কঠোর পরিশ্রম করে গেছেন এবং ১/১১ পরবর্তী সময়ে যখন দলের ভঙ্গুর অবস্থা তখন দলকে সু-সংগঠিত করার লক্ষ্যে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাতকে শক্তিশালী ও হারানো মনোবল কে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে এবং সারাদেশে বি.এন.পি’র গন জোয়ার তৈরীতে নিরলস ভাবে কাজ করে গেছেন।
বিগত আন্দোলন সংগ্রামের সময়ও যখন দলের হাই প্রফাইল নেতৃবৃন্দ গায়েব হয়ে গেছেন, যখন বড় বড় রাঘব – বোয়ালদেরকে খুজে পাওয়া যায়নি তখন ওমর ফারুক মুন্না সকল স্তরের তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাথে নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ রক্ষা করে গেছেন এবং নিজের অসংখ্য মামলার হুলিয়া মাথায় নিয়ে গুম খুনের হুমকি থাকা স্বত্বেও সকল ভয়ভীতি উপেক্ষা করে জোরালো ভাবে নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে গেছেন।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাথে কথা বললে, তারা বলেন যে, মুন্না ভাই শুধু একজন নেতা নন, তিনি একজন ছাত্রদলের অভিভাবক । আন্দোলন থেকে শুরু করে দলকে চাঙ্গা করতে ঢাকার রাজপথ থেকে শুরু করে প্রতিটি গলিতে তার অবাধ বিচরন এখনো কর্মীদের হৃদয়ে নাড়া দেয় এবং তার সুদীর্ঘ বিপ্লবী জীবন তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কে দলের প্রতি আরও দায়িত্বশীল করে তোলে।
তাদের কাছে আরও জানতে চাইলে তারা বলেন যে, আমাদের বিশ্বাস এবং চোখের দেখা থেকে বলতে পারি মুন্না ভাইকে যেই সংগঠনেই দায়িত্ব পালন করতে দেয়া হবে ঠিক সেই সংগঠনকেই তিনি আলোকিত করে তুলবেন এবং দলের প্রতি তার শ্রম , ত্যাগ ও আবেগ অতুলনীয়, তাই আসন্ন ছাত্রদলের কমিটিতে মুন্না ভাইয়ের মতো অসংখ্য নেতাকে মূল্যায়ণ পূর্বক ছাত্রদল কেন্দ্রিয় সংসদ এর সাধারন সম্পাদক হিসেবে ওমর ফারুক মুন্না ভাইকে দেখতে চাই। যাতে করে তিনি তার অর্জিত অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের মাধ্যমে ছাত্রদল কে বাংলাদেশের প্রতিটি যুবকের কাছে একটি আদর্শ সংগঠন হিসেবে দার করাতে পারেন এবং ছাত্রদল কে সারা বিশ্বের কাছে মডেল সংগঠন হিসেবে উপস্থাপন করতে পারেন।Facebook page

Saturday, 8 July 2017

লন্ডন থেকে ফিরেই ছাত্রলের নতুন কমিটি ঘোষনা করবেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া

লন্ডন Facebook pageথে‌কে ফি‌রেই ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষনা করবেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ।

বিএনপির রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামের ভ্যানগার্ড হিসেবে পরিচিত মেয়াদোত্তীর্ণ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কমিটি খুব শিগগিরই ঘোষণা করতে যাচ্ছে দলটির হাইকমান্ড। আর এ কারণে পদ প্রত্যাশী নেতাকর্মীরাও দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন। নেতাদের বাড়িতে ধরনা দিচ্ছেন, নিজেদের আমলনামার ফিরিস্তি তুলে তদবির করছেন। আবার সুবিধাবাদী ছাত্র নেতারাও সিন্ডিকেটের উপর ভর করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।
সংগঠনটির নেতাকর্মীরা জানান, দুই বছর মেয়াদি ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে গত বছরের ১৪ অক্টোবর। ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর রাজীব আহসানকে সভাপতি ও মো. আকরামুল হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫৩ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এরপর ২০১৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ৭৩৪ জন সদস্যকে নিয়ে ওই কমিটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়।

বিএনপির আন্দোলনে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ এই সংগঠনটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে ইতোমধ্যে নতুন কমিটি গঠনের দাবিতে একাট্টা হয়েছেন সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

শীর্ষ নেতাদের মধ্যে একজন জানান, এবারের মতো এত নেতৃত্ব প্রতিযোগিতা আগে কখনো ছিলো না। যে ছাত্রটি মেধায়, দক্ষতায় কর্মী হবারও যোগ্যতা রাখেন না সেও এবার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক কিংবা সুপার ফাইভে থাকতে চাচ্ছেন। একটি রাজনৈতিক দলে নেতৃত্ব প্রতিযোগিতা ভালো। কিন্তু যার যোগ্যতা নাই, রাজনৈতিক দক্ষতা নাই সে কিভাবে নেতা হবেন। তিনি বলেন, অনেক ছাত্রনেতা রাজনৈতিক শিক্ষা পর্যন্ত গ্রহণ করেন না। অনেকে তো বিএনপির ১৯ দফা কর্মসূচিও জানেন না। এরপরও দৌড়ঝাপ করছেন, যোগ্যদের জন্য বাঁধা হয়ে দাড়াচ্ছেন। এসবের মধ্যেও সংগঠনের পরবর্তি কমিটি নিয়ে কাজ চলছে। খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে। জটিলতার মধ্যেও কমিটি গঠন হবে বলেও তিনি আশাবাদী।

আরেকজন নেতা বলেন, একমাত্র ছাত্রদল কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান একক সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। এখানে অন্য কোনো নেতাদের তেমন ভূমিকা থাকে না। তবে তারা বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজ খবর নিয়ে থাকেন। যা ইতিমধ্যে নেয়া হয়েছে বলেই জানি। এখন হয়তো অরেকটু ভিন্ন আঙ্গিকে পূনর্মূল্যায়ন করে কমিটি গঠন কাজ সম্পন্ন করবেন। এ জন্য হয়তো আরো কিছুটা সময় লাগবে। তবে তা ঘঁষা-মাজার জন্য।

এদিকে কমিটি গঠনের কাজ এগিয়ে যাচ্ছে এমন সম্ভাবনাকে মাথায় রেখে দৌড়ঝাপও বেড়ে গেছে সংগঠনের নেতাকর্মীদের। এসব বিষয়ে ছাত্রদলের সভাপতি পদ প্রত্যাশী একজন ছাত্রনেতা জানান, বর্তমান কমিটি ২০১৫ সালের আন্দোলনে সফলতার দাবিদার হলেও সাংগঠনিকভাবে ব্যর্থ। সম্প্রতি চট্টগ্রামে একজন ছাত্রনেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হলেও কোনো কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামতে পারেনি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এছাড়া ভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনগুলোর অরাজনৈতিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধেও সরব ভূমিকা পালন করতে পারেনি সংগঠনটি। আমরা সারাদেশে ছাত্রদলের ব্যানারে ভিন্ন কিছু করতে পারি নাই। সংগঠনের এসকল ব্যর্থতার জন্য মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিসহ দলটির নেতাদের খবরদারিকে দায়ি করে তিনি বলেন, বিগত আন্দোলনকে যোগ্যতার মাপকাঠি নির্ধারণ করে নেতৃত্ব বাছাই করা হলে আগামী দিনে আন্দোলন সংগ্রামে আরো ভালো কিছু প্রত্যাশা করা যাবে। কিন্তু তল্পিবাহক আর সিন্ডিকেট নির্ভর কমিটি দেয়া হলে হতাশা ছাড়া আর কিছু হবে না।
আরেকজন ছাত্রনেতা বলেন, বিএনপির মধ্যে একমাত্র ছাত্রদলের কমিটি গঠনের সময় ঘনিয়ে আসলেই সিনিয়র-জুনিয়র, বিবাহিত-অবিবাহিত, সংস্কারপন্থি আর আঞ্চলিকতার অজুহাত সামনে তুলে আনেন এক শ্রেণির তল্পীবাহক। তারা নিজেদের আজ্ঞাবাহ কমিটি গঠনের জন্যই সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে তাদের খোলস পরিবর্তন করেন। আর ওই সকল যুক্তি সামনে তুলে এনে যোগ্যদেরকে আড়াল করে দেন।

আগামী কমিটিতে শীর্ষ পদে যারা বেশি আলোচনায় আছেন তারা হলেন- সহসভাপতি আলমগীর হাসান সোহান, ইখতিয়ার রহমান কবির, আবু আতিক আল হাসান মিন্টু ও সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার ও রয়েছেন। এছাড়া যুগ্ম সম্পাদকদের ম‌ধ্যে ওমর ফারুক মুন্না,‌মিয়া রা‌সেল,বায়‌জীদ অা‌রে‌ফিন প্রমুখ। এদের মধ্যে সকলেই রাজপথে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণে স্বাক্ষর রেখেছেন।

এছাড়াও আলোচনায় রয়েছেন- যুগ্ম সম্পাদক করিম সরকার, মির্জা ইয়াসিন আলি, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুইয়া প্রমুখ। অন্যরাও নিজেদের মতো করে সিনিয়র নেতাদের কাছে গিয়ে লবিং-তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন।

Tuesday, 27 June 2017

‌বিএন‌পি গণত‌ন্ত্রের জন্য সংগ্রাম কর‌ছে ।

facebook page
‘‘বিএনপি গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করছে’’
   || মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ||

অস্ট্রেলিয়ায় ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টির ৫৯তম ফেডারেল সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সম্মেলনে আমন্ত্রিত পর্যবেক্ষক হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে বিএনপি গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করছে।’ মঙ্গলবার মির্জা ফখরুলের বরাত দিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।

অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী সিডনিতে ২২ থেকে ২৪ জুন অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে আমন্ত্রিত পর্যবেক্ষক হিসেবে ফখরুল অংশ নেন। মির্জা ফখরুলকে উদ্ধৃত করে শায়রুল কবির জানান সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব বলেছেন, ‘বাংলাদেশে বিএনপি গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করছে। উগ্রবাদ থেকে রক্ষার জন্য দেশে-দেশে গণতন্ত্র ও টেকসই গণতন্ত্র বেশি প্রয়োজন।’ একই সঙ্গে বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের সমালোচনাও করেন তিনি।

পর্যবেক্ষক হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় ফখরুল বলেন, ‘উগ্রপন্থা নির্মূল চায় বিএনপি। সন্ত্রাসবাদকে বন্ধ করতে না পারলে অস্থিরতা আরও বাড়বে।’ এজন্য তিনি গণতান্ত্রিক দেশগুলোর প্রতি টেকসই গণতন্ত্রচর্চা ও উন্নয়নের দিকে আহ্বান করেন।

লিবারেল পার্টির সম্মেলনে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীও অংশ নেন। এছাড়া বিশ্বের দশটি দেশের প্রতিনিধিরা সম্মেলনে আমন্ত্রিত ছিলেন। এর আগে, গত ২০ জুন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অস্ট্রেলিয়ায় যান। সেখানে তিনি চিকিৎসা গ্রহণ ও মেয়ের সঙ্গে ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন। আগামী ৩০ জুন বিএনপির মহাসচিব দেশে ফিরবেন।

Monday, 26 June 2017

দলনিরপেক্ষ সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই: খালেদা


বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন অবশ্যই দলনিরপেক্ষ সহায়ক সরকারের অধীনে হতে হবে। এ সময় সেনা মোতায়েন রাখতে হবে। তিনি বলেছেন, সরকারের দুঃশাসন, নিপীড়ন এবং ব্যর্থতার জন্য দেশের মানুষ এবার আনন্দ নিয়ে ঈদ উদ্যাপন করতে পারেনি।
আজ সোমবার দুপুরে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সর্বস্তরের নাগরিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় কথাগুলো বলেন খালেদা জিয়া। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। খালেদা জিয়া বলেন, ‘সাধারণত বিপুল উৎসবের মধ্য দিয়ে সব সময় ঈদ উদ্যাপিত হয়। কিন্তু এবার দেশে ঈদের কোনো আনন্দ নেই। নিত্যপ্রয়োজনীয় চাল, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানির দাম বৃদ্ধিতে কারও মনে কোনো আনন্দ নেই। উৎসবমুখর পরিবেশ এবার ছিল না।’
খালেদা জিয়া বলেন, গত ১০ বছরে এ সরকার দুর্নীতি ও লুটপাটের মাধ্যমে দেশ এবং সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে। খালেদা জিয়া বলেন, ‘জনগণ এখন পরিবর্তন চায়। তারা ভালো সেবা ও সুশাসন চায়। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার সবদিক থেকেই ব্যর্থ। ভবিষ্যতে এ সরকার মানুষের জন্য ভালো কিছু দিতে পারবে না।’
খালেদা জিয়া বলছেন, দেশে এখন দুর্ভিক্ষের মতো অবস্থা বিরাজ করছে। বিশেষ করে হাওর ও পাহাড়ি এলাকায় খাবার এবং সরকারি সহায়তার জন্য মানুষ হাহাকার করছে।
গ্রহণযোগ্য এবং সবার অংশগ্রহণে একটি নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তার গুরুত্ব তুলে ধরে বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন, আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন হলে জনগণ ভোটকেন্দ্রে যাবে না।
পাহাড়ধসের পর রাঙামাটিতে যাওয়ার পথে বিএনপির মহাসচিবের গাড়িতে হামলার প্রসঙ্গ তুলে ধরে খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমাদের নেতাদের ওপর এমন হামলার পর আপনারা কী প্রত্যাশা করেন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কোনো ভালো নির্বাচন হতে পারে?’
খালেদা জিয়া বলেন, সরকারি দলের নেতা-কর্মীরা দিন দিন ধনী হচ্ছে আর সাধারণ মানুষ দরিদ্র হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘দিন দিন মানুষের মধ্যে ব্যবধান বাড়ছে। আমি পত্রপত্রিকার খবরে পড়েছি, যারা দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অর্থ করেছেন এরা দেশের বাইরে গিয়ে কেনাকাটা করছে। আর সাধারণ মানুষ ঈদে নতুন জামাকাপড় কিনতে পারছে না। দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বাড়ছে।’facebook page

হলুদ

হলুদ