Tuesday, 27 June 2017

‌বিএন‌পি গণত‌ন্ত্রের জন্য সংগ্রাম কর‌ছে ।

facebook page
‘‘বিএনপি গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করছে’’
   || মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ||

অস্ট্রেলিয়ায় ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টির ৫৯তম ফেডারেল সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সম্মেলনে আমন্ত্রিত পর্যবেক্ষক হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে বিএনপি গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করছে।’ মঙ্গলবার মির্জা ফখরুলের বরাত দিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।

অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী সিডনিতে ২২ থেকে ২৪ জুন অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে আমন্ত্রিত পর্যবেক্ষক হিসেবে ফখরুল অংশ নেন। মির্জা ফখরুলকে উদ্ধৃত করে শায়রুল কবির জানান সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব বলেছেন, ‘বাংলাদেশে বিএনপি গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করছে। উগ্রবাদ থেকে রক্ষার জন্য দেশে-দেশে গণতন্ত্র ও টেকসই গণতন্ত্র বেশি প্রয়োজন।’ একই সঙ্গে বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের সমালোচনাও করেন তিনি।

পর্যবেক্ষক হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় ফখরুল বলেন, ‘উগ্রপন্থা নির্মূল চায় বিএনপি। সন্ত্রাসবাদকে বন্ধ করতে না পারলে অস্থিরতা আরও বাড়বে।’ এজন্য তিনি গণতান্ত্রিক দেশগুলোর প্রতি টেকসই গণতন্ত্রচর্চা ও উন্নয়নের দিকে আহ্বান করেন।

লিবারেল পার্টির সম্মেলনে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীও অংশ নেন। এছাড়া বিশ্বের দশটি দেশের প্রতিনিধিরা সম্মেলনে আমন্ত্রিত ছিলেন। এর আগে, গত ২০ জুন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অস্ট্রেলিয়ায় যান। সেখানে তিনি চিকিৎসা গ্রহণ ও মেয়ের সঙ্গে ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন। আগামী ৩০ জুন বিএনপির মহাসচিব দেশে ফিরবেন।

Monday, 26 June 2017

দলনিরপেক্ষ সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই: খালেদা


বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন অবশ্যই দলনিরপেক্ষ সহায়ক সরকারের অধীনে হতে হবে। এ সময় সেনা মোতায়েন রাখতে হবে। তিনি বলেছেন, সরকারের দুঃশাসন, নিপীড়ন এবং ব্যর্থতার জন্য দেশের মানুষ এবার আনন্দ নিয়ে ঈদ উদ্যাপন করতে পারেনি।
আজ সোমবার দুপুরে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সর্বস্তরের নাগরিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় কথাগুলো বলেন খালেদা জিয়া। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। খালেদা জিয়া বলেন, ‘সাধারণত বিপুল উৎসবের মধ্য দিয়ে সব সময় ঈদ উদ্যাপিত হয়। কিন্তু এবার দেশে ঈদের কোনো আনন্দ নেই। নিত্যপ্রয়োজনীয় চাল, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানির দাম বৃদ্ধিতে কারও মনে কোনো আনন্দ নেই। উৎসবমুখর পরিবেশ এবার ছিল না।’
খালেদা জিয়া বলেন, গত ১০ বছরে এ সরকার দুর্নীতি ও লুটপাটের মাধ্যমে দেশ এবং সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে। খালেদা জিয়া বলেন, ‘জনগণ এখন পরিবর্তন চায়। তারা ভালো সেবা ও সুশাসন চায়। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার সবদিক থেকেই ব্যর্থ। ভবিষ্যতে এ সরকার মানুষের জন্য ভালো কিছু দিতে পারবে না।’
খালেদা জিয়া বলছেন, দেশে এখন দুর্ভিক্ষের মতো অবস্থা বিরাজ করছে। বিশেষ করে হাওর ও পাহাড়ি এলাকায় খাবার এবং সরকারি সহায়তার জন্য মানুষ হাহাকার করছে।
গ্রহণযোগ্য এবং সবার অংশগ্রহণে একটি নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তার গুরুত্ব তুলে ধরে বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন, আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন হলে জনগণ ভোটকেন্দ্রে যাবে না।
পাহাড়ধসের পর রাঙামাটিতে যাওয়ার পথে বিএনপির মহাসচিবের গাড়িতে হামলার প্রসঙ্গ তুলে ধরে খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমাদের নেতাদের ওপর এমন হামলার পর আপনারা কী প্রত্যাশা করেন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কোনো ভালো নির্বাচন হতে পারে?’
খালেদা জিয়া বলেন, সরকারি দলের নেতা-কর্মীরা দিন দিন ধনী হচ্ছে আর সাধারণ মানুষ দরিদ্র হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘দিন দিন মানুষের মধ্যে ব্যবধান বাড়ছে। আমি পত্রপত্রিকার খবরে পড়েছি, যারা দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অর্থ করেছেন এরা দেশের বাইরে গিয়ে কেনাকাটা করছে। আর সাধারণ মানুষ ঈদে নতুন জামাকাপড় কিনতে পারছে না। দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বাড়ছে।’facebook page

হলুদ

হলুদ