Monday, 24 July 2017

ছাত্রদলের শীর্ষ দুই পদে যারা অাসতে পারে।অালমগীর হাসান সোহান,ইসহাক সরকার,ওমর ফারুক মুন্না ও নুরুল হুদা বাবু ।





ছাত্রদলের শীর্ষ দুই পদে যারা অাসতে পারে।Facebook page
বাংলা‌দেশ জাতীয়তাবাদী দল  বিএনপির রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামের ভ্যানগার্ড হিসেবে পরিচিত ছাত্রদল ।দ‌ক্ষিন এ‌শিয়ার সববৃহৎ ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। মেয়াদোত্তীর্ণ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কমিটি খুব শিগগিরই ঘোষণা হ‌তে পা‌রে।আর এ কারণে পদ প্রত্যাশী নেতাকর্মীরাও দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন। নেতাদের বাড়িতে ধরনা দিচ্ছেন, নিজেদের আমলনামার ফিরিস্তি তুলে তদবির করছেন। আবার সুবিধাবাদী ছাত্র নেতারাও সিন্ডিকেটের উপর ভর করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।

বিএনপির আন্দোলনে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ এই সংগঠনটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে ইতোমধ্যে নতুন কমিটি গঠনের দাবিতে একাট্টা হয়েছেন সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

তৃণমূল নেতাকর্মী‌দের অাশা ত্যাগী,যোগ্য,অা‌ন্দোলন সংগ্রা‌ম ও রাজপ‌থে স‌ত্রিুয় এমন এক‌টি ক‌মি‌টি উপহার দি‌বেন দেশ‌নেত্রী বেগম খা‌লেদা জিয়া ও তা‌রেক রহমান ।

দেশ‌নেত্রী বেগম খা‌লেদা জিয়া বর্তমা‌নে লন্ড‌নে অা‌ছেন পুত্র তা‌রেক রহমা‌নের বাসায় ।‌চি‌কিৎসার জন্য তি‌নি লন্ডনে গে‌ছেন ।লন্ডন থে‌কে ফি‌রেই দেশ‌নেত্রী বেগম খা‌লেদা জিয়া ঘোষনা দি‌তে পা‌রেন ছাত্রদ‌লের নতুন ক‌মি‌টি ।

নতুন ক‌মি‌টি‌তে সভাপ‌তি প‌দে বেশ অা‌লোচনায় অা‌ছে অালমগীর হাসান সোহান ।‌তি‌নি বর্তমান ছাত্রদল কেন্দ্রীয় ক‌মি‌টির সহ সভাপ‌তি ।অসংখ্য মামলা নি‌য়ে তি‌নি রাজপ‌থে দ‌লের জন্য দা‌য়িত্ব পালন ক‌রে যা‌চ্ছে।সাংগঠ‌নিক সম্পাদক ইসহাক সরকার ও বেশ অা‌লোচনায় অা‌ছে।‌সি‌নিয়র এই  ছাত্রনেতা ছাত্রদ‌লের শীর্ষ প‌দে যে‌তে অ‌নেক মামলা,হামলা ও জীব‌নের ঝু‌কি নি‌য়ে রাজপ‌থে স‌ত্রিুয়ভা‌বে দা‌য়িত্ব পালন করে যা‌চ্ছে।

অার সাধারন সম্পাদক প‌দে বেশ অা‌লোচনায় অা‌ছে জগন্নাথ বিশ্ব‌বিদ্যালয় ছাত্রদ‌লের সা‌বেক সফল সাধারন ও বর্তমান ক‌মি‌টির যুগ্ম সম্পাদক ওমর ফারুক মুন্না ।কর্মীবান্ধব মেধাবী এই  ছাত্র‌নেতা অসংখ্য মামলা হামলা ও জীব‌নের ঝু‌কি‌ নি‌য়ে সরকার বি‌রোধী অা‌ন্দোল‌নে রাজপ‌থে স‌ত্রিুয় ।তার স্লোগা‌নে ক‌ম্পিত ঢাকার রাজপথ ।যুগ্ম সম্পাদক নুরুল হুদা বাবু ও স‌াধারন সম্পাদক প‌দে অা‌লোচনায় অা‌ছে ।

Friday, 21 July 2017

জনপ্রিয় নেতা ওমর ফারুক মুন্নাকে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চায় তৃণমূলের নেতৃবৃন্দ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদের এক সূর্য সৈনিক, শহীদ জিয়ার আর্দশকে বাস্তবায়নের এক স্বপ্নবাজ যুবক, অসীম সাহসীকতা ও অকুতোভয় নেতৃত্বের অধিকারি, গনতন্ত্রকে পুনঃ প্রতিষ্ঠার লক্ষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত কে শক্তিশালী করার প্রয়াসই যার ধ্যান জ্ঞান, যুব সমাজের নয়নের মনি, অবৈধ সরকারের আতঙ্ক, কিংবদন্তী একজন নেতা জনাব ওমর ফারুক মুন্না।
তিনি বর্তমানে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ এর যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। তার নেতৃত্ব, আবেগ ঘন বচন ভঙ্গি, অগ্নি ঝরা স্লোগান, নিরলস পরিশ্রম আর অগ্নিস্ফুলিঙ্গের মতো বক্তব্যে ছাত্রদলকে আজ সবচেয়ে সু সংগঠিত ও শক্তিশালী এক ইউনিট হিসেবে ব্যপক ভাবে পরিচিতি লাভ করেছে।
শুধু তাই নয় তৃণমূল থেকে উঠে আসা জনাব ওমর ফারুক মুন্না জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল এর নির্বাচনের মাধ্যমে একমাত্র নির্বাচিত ও জনপ্রিয় সাধারন সম্পাদক ছিলেন। অতীতেও তার অসাধারন নেতৃত্বের গুনাবলিতে ছাত্রদলকে সু সংগঠিত, জনপ্রিয় ও শক্তিশালী সাংগঠনিক ইউনিট হিসেবে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আস্থা অর্জন করেছিলো।
তরুন এই যুবনেতা জনাব ওমর ফারুক মুন্না’র নিজস্ব অঞ্চল তথা কুমিল্লা, ঢাকা সহ সারাদেশ ব্যাপী তার আকাশ চুম্বি জনপ্রিয়তা লক্ষ করা যায় এবং দলের প্রতিটি কর্মসূচিতে সু-বিশাল কর্মী বাহিনি সহকারে তার আগুন ঝরানো স্লোগানে অংশ গ্রহন কর্মীদের মনস্তাত্বিক চিন্তা শক্তি ও সাহসীকতা আরও অনেক গুন বাড়িয়ে দেয়।
১/১১ এর সময় যখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃবৃন্দকে একে একে গ্রেফতার ও গুম করে এবং দলের অনেক বড় বড় নেতৃবৃন্দ দলের সাথে বেঈমানি করেছেন, তখন তরুন ওমর ফারুক মুন্না তার অজস্র কর্মীদের নিয়ে দলের জন্য কঠোর পরিশ্রম করে গেছেন এবং ১/১১ পরবর্তী সময়ে যখন দলের ভঙ্গুর অবস্থা তখন দলকে সু-সংগঠিত করার লক্ষ্যে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাতকে শক্তিশালী ও হারানো মনোবল কে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে এবং সারাদেশে বি.এন.পি’র গন জোয়ার তৈরীতে নিরলস ভাবে কাজ করে গেছেন।
বিগত আন্দোলন সংগ্রামের সময়ও যখন দলের হাই প্রফাইল নেতৃবৃন্দ গায়েব হয়ে গেছেন, যখন বড় বড় রাঘব – বোয়ালদেরকে খুজে পাওয়া যায়নি তখন ওমর ফারুক মুন্না সকল স্তরের তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাথে নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ রক্ষা করে গেছেন এবং নিজের অসংখ্য মামলার হুলিয়া মাথায় নিয়ে গুম খুনের হুমকি থাকা স্বত্বেও সকল ভয়ভীতি উপেক্ষা করে জোরালো ভাবে নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে গেছেন।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাথে কথা বললে, তারা বলেন যে, মুন্না ভাই শুধু একজন নেতা নন, তিনি একজন ছাত্রদলের অভিভাবক । আন্দোলন থেকে শুরু করে দলকে চাঙ্গা করতে ঢাকার রাজপথ থেকে শুরু করে প্রতিটি গলিতে তার অবাধ বিচরন এখনো কর্মীদের হৃদয়ে নাড়া দেয় এবং তার সুদীর্ঘ বিপ্লবী জীবন তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কে দলের প্রতি আরও দায়িত্বশীল করে তোলে।
তাদের কাছে আরও জানতে চাইলে তারা বলেন যে, আমাদের বিশ্বাস এবং চোখের দেখা থেকে বলতে পারি মুন্না ভাইকে যেই সংগঠনেই দায়িত্ব পালন করতে দেয়া হবে ঠিক সেই সংগঠনকেই তিনি আলোকিত করে তুলবেন এবং দলের প্রতি তার শ্রম , ত্যাগ ও আবেগ অতুলনীয়, তাই আসন্ন ছাত্রদলের কমিটিতে মুন্না ভাইয়ের মতো অসংখ্য নেতাকে মূল্যায়ণ পূর্বক ছাত্রদল কেন্দ্রিয় সংসদ এর সাধারন সম্পাদক হিসেবে ওমর ফারুক মুন্না ভাইকে দেখতে চাই। যাতে করে তিনি তার অর্জিত অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের মাধ্যমে ছাত্রদল কে বাংলাদেশের প্রতিটি যুবকের কাছে একটি আদর্শ সংগঠন হিসেবে দার করাতে পারেন এবং ছাত্রদল কে সারা বিশ্বের কাছে মডেল সংগঠন হিসেবে উপস্থাপন করতে পারেন।Facebook page

Saturday, 8 July 2017

লন্ডন থেকে ফিরেই ছাত্রলের নতুন কমিটি ঘোষনা করবেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া

লন্ডন Facebook pageথে‌কে ফি‌রেই ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষনা করবেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ।

বিএনপির রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামের ভ্যানগার্ড হিসেবে পরিচিত মেয়াদোত্তীর্ণ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কমিটি খুব শিগগিরই ঘোষণা করতে যাচ্ছে দলটির হাইকমান্ড। আর এ কারণে পদ প্রত্যাশী নেতাকর্মীরাও দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন। নেতাদের বাড়িতে ধরনা দিচ্ছেন, নিজেদের আমলনামার ফিরিস্তি তুলে তদবির করছেন। আবার সুবিধাবাদী ছাত্র নেতারাও সিন্ডিকেটের উপর ভর করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।
সংগঠনটির নেতাকর্মীরা জানান, দুই বছর মেয়াদি ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে গত বছরের ১৪ অক্টোবর। ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর রাজীব আহসানকে সভাপতি ও মো. আকরামুল হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫৩ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এরপর ২০১৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ৭৩৪ জন সদস্যকে নিয়ে ওই কমিটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়।

বিএনপির আন্দোলনে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ এই সংগঠনটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে ইতোমধ্যে নতুন কমিটি গঠনের দাবিতে একাট্টা হয়েছেন সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

শীর্ষ নেতাদের মধ্যে একজন জানান, এবারের মতো এত নেতৃত্ব প্রতিযোগিতা আগে কখনো ছিলো না। যে ছাত্রটি মেধায়, দক্ষতায় কর্মী হবারও যোগ্যতা রাখেন না সেও এবার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক কিংবা সুপার ফাইভে থাকতে চাচ্ছেন। একটি রাজনৈতিক দলে নেতৃত্ব প্রতিযোগিতা ভালো। কিন্তু যার যোগ্যতা নাই, রাজনৈতিক দক্ষতা নাই সে কিভাবে নেতা হবেন। তিনি বলেন, অনেক ছাত্রনেতা রাজনৈতিক শিক্ষা পর্যন্ত গ্রহণ করেন না। অনেকে তো বিএনপির ১৯ দফা কর্মসূচিও জানেন না। এরপরও দৌড়ঝাপ করছেন, যোগ্যদের জন্য বাঁধা হয়ে দাড়াচ্ছেন। এসবের মধ্যেও সংগঠনের পরবর্তি কমিটি নিয়ে কাজ চলছে। খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে। জটিলতার মধ্যেও কমিটি গঠন হবে বলেও তিনি আশাবাদী।

আরেকজন নেতা বলেন, একমাত্র ছাত্রদল কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান একক সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। এখানে অন্য কোনো নেতাদের তেমন ভূমিকা থাকে না। তবে তারা বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজ খবর নিয়ে থাকেন। যা ইতিমধ্যে নেয়া হয়েছে বলেই জানি। এখন হয়তো অরেকটু ভিন্ন আঙ্গিকে পূনর্মূল্যায়ন করে কমিটি গঠন কাজ সম্পন্ন করবেন। এ জন্য হয়তো আরো কিছুটা সময় লাগবে। তবে তা ঘঁষা-মাজার জন্য।

এদিকে কমিটি গঠনের কাজ এগিয়ে যাচ্ছে এমন সম্ভাবনাকে মাথায় রেখে দৌড়ঝাপও বেড়ে গেছে সংগঠনের নেতাকর্মীদের। এসব বিষয়ে ছাত্রদলের সভাপতি পদ প্রত্যাশী একজন ছাত্রনেতা জানান, বর্তমান কমিটি ২০১৫ সালের আন্দোলনে সফলতার দাবিদার হলেও সাংগঠনিকভাবে ব্যর্থ। সম্প্রতি চট্টগ্রামে একজন ছাত্রনেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হলেও কোনো কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামতে পারেনি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এছাড়া ভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনগুলোর অরাজনৈতিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধেও সরব ভূমিকা পালন করতে পারেনি সংগঠনটি। আমরা সারাদেশে ছাত্রদলের ব্যানারে ভিন্ন কিছু করতে পারি নাই। সংগঠনের এসকল ব্যর্থতার জন্য মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিসহ দলটির নেতাদের খবরদারিকে দায়ি করে তিনি বলেন, বিগত আন্দোলনকে যোগ্যতার মাপকাঠি নির্ধারণ করে নেতৃত্ব বাছাই করা হলে আগামী দিনে আন্দোলন সংগ্রামে আরো ভালো কিছু প্রত্যাশা করা যাবে। কিন্তু তল্পিবাহক আর সিন্ডিকেট নির্ভর কমিটি দেয়া হলে হতাশা ছাড়া আর কিছু হবে না।
আরেকজন ছাত্রনেতা বলেন, বিএনপির মধ্যে একমাত্র ছাত্রদলের কমিটি গঠনের সময় ঘনিয়ে আসলেই সিনিয়র-জুনিয়র, বিবাহিত-অবিবাহিত, সংস্কারপন্থি আর আঞ্চলিকতার অজুহাত সামনে তুলে আনেন এক শ্রেণির তল্পীবাহক। তারা নিজেদের আজ্ঞাবাহ কমিটি গঠনের জন্যই সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে তাদের খোলস পরিবর্তন করেন। আর ওই সকল যুক্তি সামনে তুলে এনে যোগ্যদেরকে আড়াল করে দেন।

আগামী কমিটিতে শীর্ষ পদে যারা বেশি আলোচনায় আছেন তারা হলেন- সহসভাপতি আলমগীর হাসান সোহান, ইখতিয়ার রহমান কবির, আবু আতিক আল হাসান মিন্টু ও সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার ও রয়েছেন। এছাড়া যুগ্ম সম্পাদকদের ম‌ধ্যে ওমর ফারুক মুন্না,‌মিয়া রা‌সেল,বায়‌জীদ অা‌রে‌ফিন প্রমুখ। এদের মধ্যে সকলেই রাজপথে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণে স্বাক্ষর রেখেছেন।

এছাড়াও আলোচনায় রয়েছেন- যুগ্ম সম্পাদক করিম সরকার, মির্জা ইয়াসিন আলি, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুইয়া প্রমুখ। অন্যরাও নিজেদের মতো করে সিনিয়র নেতাদের কাছে গিয়ে লবিং-তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন।