বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদের এক সূর্য সৈনিক, শহীদ জিয়ার আর্দশকে বাস্তবায়নের এক স্বপ্নবাজ যুবক, অসীম সাহসীকতা ও অকুতোভয় নেতৃত্বের অধিকারি, গনতন্ত্রকে পুনঃ প্রতিষ্ঠার লক্ষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত কে শক্তিশালী করার প্রয়াসই যার ধ্যান জ্ঞান, যুব সমাজের নয়নের মনি, অবৈধ সরকারের আতঙ্ক, কিংবদন্তী একজন নেতা জনাব ওমর ফারুক মুন্না।
তিনি বর্তমানে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ এর যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। তার নেতৃত্ব, আবেগ ঘন বচন ভঙ্গি, অগ্নি ঝরা স্লোগান, নিরলস পরিশ্রম আর অগ্নিস্ফুলিঙ্গের মতো বক্তব্যে ছাত্রদলকে আজ সবচেয়ে সু সংগঠিত ও শক্তিশালী এক ইউনিট হিসেবে ব্যপক ভাবে পরিচিতি লাভ করেছে।
শুধু তাই নয় তৃণমূল থেকে উঠে আসা জনাব ওমর ফারুক মুন্না জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল এর নির্বাচনের মাধ্যমে একমাত্র নির্বাচিত ও জনপ্রিয় সাধারন সম্পাদক ছিলেন। অতীতেও তার অসাধারন নেতৃত্বের গুনাবলিতে ছাত্রদলকে সু সংগঠিত, জনপ্রিয় ও শক্তিশালী সাংগঠনিক ইউনিট হিসেবে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আস্থা অর্জন করেছিলো।
তরুন এই যুবনেতা জনাব ওমর ফারুক মুন্না’র নিজস্ব অঞ্চল তথা কুমিল্লা, ঢাকা সহ সারাদেশ ব্যাপী তার আকাশ চুম্বি জনপ্রিয়তা লক্ষ করা যায় এবং দলের প্রতিটি কর্মসূচিতে সু-বিশাল কর্মী বাহিনি সহকারে তার আগুন ঝরানো স্লোগানে অংশ গ্রহন কর্মীদের মনস্তাত্বিক চিন্তা শক্তি ও সাহসীকতা আরও অনেক গুন বাড়িয়ে দেয়।
১/১১ এর সময় যখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃবৃন্দকে একে একে গ্রেফতার ও গুম করে এবং দলের অনেক বড় বড় নেতৃবৃন্দ দলের সাথে বেঈমানি করেছেন, তখন তরুন ওমর ফারুক মুন্না তার অজস্র কর্মীদের নিয়ে দলের জন্য কঠোর পরিশ্রম করে গেছেন এবং ১/১১ পরবর্তী সময়ে যখন দলের ভঙ্গুর অবস্থা তখন দলকে সু-সংগঠিত করার লক্ষ্যে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাতকে শক্তিশালী ও হারানো মনোবল কে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে এবং সারাদেশে বি.এন.পি’র গন জোয়ার তৈরীতে নিরলস ভাবে কাজ করে গেছেন।
বিগত আন্দোলন সংগ্রামের সময়ও যখন দলের হাই প্রফাইল নেতৃবৃন্দ গায়েব হয়ে গেছেন, যখন বড় বড় রাঘব – বোয়ালদেরকে খুজে পাওয়া যায়নি তখন ওমর ফারুক মুন্না সকল স্তরের তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাথে নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ রক্ষা করে গেছেন এবং নিজের অসংখ্য মামলার হুলিয়া মাথায় নিয়ে গুম খুনের হুমকি থাকা স্বত্বেও সকল ভয়ভীতি উপেক্ষা করে জোরালো ভাবে নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে গেছেন।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাথে কথা বললে, তারা বলেন যে, মুন্না ভাই শুধু একজন নেতা নন, তিনি একজন ছাত্রদলের অভিভাবক । আন্দোলন থেকে শুরু করে দলকে চাঙ্গা করতে ঢাকার রাজপথ থেকে শুরু করে প্রতিটি গলিতে তার অবাধ বিচরন এখনো কর্মীদের হৃদয়ে নাড়া দেয় এবং তার সুদীর্ঘ বিপ্লবী জীবন তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কে দলের প্রতি আরও দায়িত্বশীল করে তোলে।
তাদের কাছে আরও জানতে চাইলে তারা বলেন যে, আমাদের বিশ্বাস এবং চোখের দেখা থেকে বলতে পারি মুন্না ভাইকে যেই সংগঠনেই দায়িত্ব পালন করতে দেয়া হবে ঠিক সেই সংগঠনকেই তিনি আলোকিত করে তুলবেন এবং দলের প্রতি তার শ্রম , ত্যাগ ও আবেগ অতুলনীয়, তাই আসন্ন ছাত্রদলের কমিটিতে মুন্না ভাইয়ের মতো অসংখ্য নেতাকে মূল্যায়ণ পূর্বক ছাত্রদল কেন্দ্রিয় সংসদ এর সাধারন সম্পাদক হিসেবে ওমর ফারুক মুন্না ভাইকে দেখতে চাই। যাতে করে তিনি তার অর্জিত অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের মাধ্যমে ছাত্রদল কে বাংলাদেশের প্রতিটি যুবকের কাছে একটি আদর্শ সংগঠন হিসেবে দার করাতে পারেন এবং ছাত্রদল কে সারা বিশ্বের কাছে মডেল সংগঠন হিসেবে উপস্থাপন করতে পারেন।Facebook page
তাদের কাছে আরও জানতে চাইলে তারা বলেন যে, আমাদের বিশ্বাস এবং চোখের দেখা থেকে বলতে পারি মুন্না ভাইকে যেই সংগঠনেই দায়িত্ব পালন করতে দেয়া হবে ঠিক সেই সংগঠনকেই তিনি আলোকিত করে তুলবেন এবং দলের প্রতি তার শ্রম , ত্যাগ ও আবেগ অতুলনীয়, তাই আসন্ন ছাত্রদলের কমিটিতে মুন্না ভাইয়ের মতো অসংখ্য নেতাকে মূল্যায়ণ পূর্বক ছাত্রদল কেন্দ্রিয় সংসদ এর সাধারন সম্পাদক হিসেবে ওমর ফারুক মুন্না ভাইকে দেখতে চাই। যাতে করে তিনি তার অর্জিত অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের মাধ্যমে ছাত্রদল কে বাংলাদেশের প্রতিটি যুবকের কাছে একটি আদর্শ সংগঠন হিসেবে দার করাতে পারেন এবং ছাত্রদল কে সারা বিশ্বের কাছে মডেল সংগঠন হিসেবে উপস্থাপন করতে পারেন।Facebook page

No comments:
Post a Comment