Tuesday, 26 December 2017

দেশনেত্রীকে ঘিরে পথে পথে বিএনপির শোডাউন

আদালতে হাজিরা শেষে গুলশানের বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে পৌঁছান পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন স্পটে শোডাউন করে করেছে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেল ৪ টার দিকে জিয়া অরফানেজ ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় হাজিরা দিয়ে বকশিবাজারে আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত থেকে বের হন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। আদালত থেকে বের হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মোড়ে আসলে বিএনপির অপেক্ষমাণ নেতাকর্মীরা তার গাড়িবহরে যুক্ত হন। এরপর সেখান থেকে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শোডাউন করে সামনে অগ্রসর হন তিনি। পথে পথে গাড়িবহরে নেতাকর্মীরা যুক্ত হওয়ায় যে পথ দিয়ে বেগম জিয়া গুলশানের দিকে অগ্রসর হচ্ছিলেন সেসব রুটে যানচলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে।
এদিকে গত সপ্তাহে হাইকোর্ট মাজার গেটে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। তবে মঙ্গলবারের চিত্র ছিল একেবারেই ভিন্ন। সকাল থেকে আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থানরত নেতাকর্মীদের সঙ্গে দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। কিছু সময়ের জন্য হাইকোর্টের মাজার গেট আটকিয়ে রাখলেও খালেদা জিয়াকে বহনকারী গাড়িটি দোয়েল চত্বর অতিক্রম করার পর খুলে দেয়া হয়। এরপর মিছিল দিয়ে গাড়িবহরের সঙ্গে যুক্ত হন হাইকোর্টের ভেতর অবস্থানরত নেতাকর্মীরা। পরে কদম ফোয়ারা, মৎস ভবন মোড়, কাকরাইল মোড় হয়ে হয়ে রুপসী বাংলা হোটেল পর্যন্ত নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ধীরে ধীরে অগ্রসর হন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।
এরআগে খালেদা জিয়ার আদালতে হাজিরা দেয়াকে কেন্দ্র করে পুরান ঢাকার বিশেষ জজ আদালত এলাকা ও আশপাশের এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিশেষ করে হাইকোর্ট এলাকায় নজরদারি ছিল বেশি। বিশেষ আদালত এলাকায় গিয়ে পুলিশের ব্যাপক উপস্থিত লক্ষ্য করা গেছে।
গতদিনের মতো আদালতে প্রবেশের পথে স্থাপন করা হয়েছে আর্চওয়ে। এর পাশপাশি পুলিশের হাতে আছে হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টরও। আদালত চত্বরে আনা হয়েছে অত্যাধুনিক প্রিজনভ্যান। ভেতরে আসামির গতিবিধি পর্যবেক্ষণে এর ভেতরে ছিল ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরাও।
আদালত চত্বরে যে প্রিজন ভ্যানটি আনা হয়েছে সেটির চালক রফিকুল বলেন, ‘ইতালি থেকে তিনটি বুলেট প্রুফ প্রিজনভ্যান কেনা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি দেয়া হয়েছে ডিএমপিকে। অন্যটি গাজীপুর পুলিশকে দেয়া হয়েছে। এসব প্রিজন ভ্যানে ছয় স্তরের নিরাপত্তা আছে।’
Facebook page
মুঠোফোনে কুমিল্লার অালোকে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংদের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ওমর ফারুক মুন্না বলেন দেশনেত্রীর পাহাড়ায় ছাত্রদল সবসময় রাজপথে অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে থাকবে ।দেশনেত্রীকে  গ্র‌েফতারের বৃথা চেষ্টা করলে সারাদেশ অচল  করে দিব ।

Friday, 22 December 2017

একজন ওমর ফারুক মুন্না

একজন ওমর ফারুক মুন্না

ওমর ফারুক মুন্না রাজপথে নির্যাতিত ছাত্রদলের একটি বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, ছাত্রদলের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে  যার সংগ্রামী ছাত্ররাজনৈতিক জীবনের পথ চলা শুরু। দীর্ঘ সংগ্রাম রাজপথের সাহসী ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতার সাথে দলকে সুসংগঠিত করতে নেতৃবৃন্দের প্রতি আনুগত্যশীল থেকে অবিরাম নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। যার ফলপ্রসূ হিসেবে তার দীর্ঘ সংগ্রাম এবং রাজপথে ভূমিকাকে মূল্যায়ন করে কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়েছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। তারপর দায়িত্ব পেয়ে তিনি হয়ে উঠেন রাজপথে নির্যাতিত ছাত্রদের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর,অনেক নির্যাতন, হামলা-মামলার শিকার হওয়া সত্ত্বেও তিনি থেমে থাকেননি এগিয়ে গিয়েছেন, এগিয়ে গিয়েছেন রাজপথে অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে বেগবান করার লক্ষ্যে, নিজের সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করে গেছেন দলকে সুসংগঠিত করতে।তারপর সময় অনেক গড়িয়েছে নির্যাতন হামলা মামলার বহুবার শিকার হয়েছেন, নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। তারপর এই অগণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী সরকারের রোষানলের শিকার হন, তারপর তিনি দমে যাননি ফিরেছেন, ফিরেছেন আগের চাইতেও বেশি লক্ষণীয়, এবং বলিষ্ঠ চরিত্রে, প্রানপন চেষ্টা করে গেছেন তার ওপর অর্পিত দায়িত্বকে যথাযথভাবে পালন করতে।Facebook pageবিশেষ করে ৫ই জানুয়ারি নির্বাচনের আগে এবং পরে, দেওয়া হয়েছে হয়রানিমূলক বহু মামলা, কাটাতে হয়েছে ফেরারী জীবন। কোনো অত্যাচারেই থামাতে পারেনি ওমর ফারুক মুন্নার রাজপথের সংগ্রামী ছাত্র রাজনৈতিক পথ চলা, আজও ওমর ফারুক মুন্নাকে দেখা যায়, দেখা যায় রাজপথে ছাত্রদলের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর রূপের। আজও তিনি স্লোগান ধরেন দেশনেত্রীর কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে, দেশনেত্রীর ভয় নাই ছাত্রদল রাজপথ ছাড়ে নাই। এভাবেই অবিরাম ছুটে চলা বকশিবাজার থেকে গুলশান, গুলশান থেকে বকশিবাজার, বিমানবন্দর থেকে গুলশান, গুলশান থেকে উখিয়া । এভাবেই লড়তে থাকুক ওমর ফারুক মুন্নারা, কারণ ওমর ফারুক মুন্নারা রাজপথে থাকলেই বাংলাদেশ পাবে তার কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্র, দেশের মানুষ পাবে তাদের ন্যায্য অধিকার।

তাই আজ‌কে হাইকমা‌ন্ড ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে তৃণমূল ছাত্রদ‌লের দাবি নির্যাতিত এবং ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা হোক। নব্বইয়ের-নেয় ছাত্রদলের স্লোগান গর্জে উঠুক আরেকবার ।

প্রতিবেদকঃ
মোশাররফ হোসেন হৃদয়
মালোশিয়া ।

একজন ওমর ফারুক মুন্না

একজন ওমর ফারুক মুন্না

ওমর ফারুক মুন্না রাজপথে নির্যাতিত ছাত্রদলের একটি বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, ছাত্রদলের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে  যার সংগ্রামী ছাত্ররাজনৈতিক জীবনের পথ চলা শুরু। দীর্ঘ সংগ্রাম রাজপথের সাহসী ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতার সাথে দলকে সুসংগঠিত করতে নেতৃবৃন্দের প্রতি আনুগত্যশীল থেকে অবিরাম নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। যার ফলপ্রসূ হিসেবে তার দীর্ঘ সংগ্রাম এবং রাজপথে ভূমিকাকে মূল্যায়ন করে কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়েছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। তারপর দায়িত্ব পেয়ে তিনি হয়ে উঠেন
রাজপথে নির্যাতিত ছাত্রদের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর,অনেক নির্যাতন, হামলা-মামলার শিকার হওয়া সত্ত্বেও
তিনি থেমে থাকেননি এগিয়ে গিয়েছেন, এগিয়ে গিয়েছেন রাজপথে অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে বেগবান করার লক্ষ্যে, নিজের সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করে গেছেন দলকে সুসংগঠিত করতে।
তারপর সময় অনেক গড়িয়েছে নির্যাতন হামলা মামলার বহুবার শিকার হয়েছেন, নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। তারপর এই অগণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী সরকারের রোষানলের শিকার হন, তারপর তিনি দমে যাননি ফিরেছেন, ফিরেছেন আগের চাইতেও বেশি লক্ষণীয়, এবং বলিষ্ঠ চরিত্রে, প্রানপন চেষ্টা করে গেছেন তার ওপর অর্পিত দায়িত্বকে যথাযথভাবে পালন করতে।
বিশেষ করে ৫ই জানুয়ারি নির্বাচনের আগে এবং পরে, দেওয়া হয়েছে হয়রানিমূলক বহু মামলা, কাটাতে হয়েছে ফেরারী জীবন। কোনো অত্যাচারেই থামাতে পারেনি ওমর ফারুক মুন্নার রাজপথের সংগ্রামী ছাত্র রাজনৈতিক পথ চলা, আজও ওমর ফারুক মুন্নাকে দেখা যায়, দেখা যায় রাজপথে ছাত্রদলের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর রূপের। আজও তিনি স্লোগান ধরেন দেশনেত্রীর কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে, দেশনেত্রীর ভয় নাই ছাত্রদল রাজপথ ছাড়ে নাই। এভাবেই অবিরাম ছুটে চলা বকশিবাজার থেকে গুলশান, গুলশান থেকে বকশিবাজার, বিমানবন্দর থেকে গুলশান, গুলশান থেকে উখিয়া । এভাবেই লড়তে থাকুক ওমর ফারুক মুন্নারা, কারণ ওমর ফারুক মুন্নারা রাজপথে থাকলেই বাংলাদেশ পাবে তার কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্র, দেশের মানুষ পাবে তাদের ন্যায্য অধিকার।

তাই আজ‌কে হাইকমা‌ন্ড ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে তৃণমূল ছাত্রদ‌লের দাবি নির্যাতিত এবং ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা হোক। নব্বইয়ের-নেয় ছাত্রদলের স্লোগান গর্জে উঠুক আরেকবার।Facebook page

একজন ওমর ফারুক মুন্না

একজন ওমর ফারুক মুন্না

ওমর ফারুক মুন্না রাজপথে নির্যাতিত ছাত্রদলের একটি বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, ছাত্রদলের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে  যার সংগ্রামী ছাত্ররাজনৈতিক জীবনের পথ চলা শুরু। দীর্ঘ সংগ্রাম রাজপথের সাহসী ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতার সাথে দলকে সুসংগঠিত করতে নেতৃবৃন্দের প্রতি আনুগত্যশীল থেকে অবিরাম নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। যার ফলপ্রসূ হিসেবে তার দীর্ঘ সংগ্রাম এবং রাজপথে ভূমিকাকে মূল্যায়ন করে কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়েছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। তারপর দায়িত্ব পেয়ে তিনি হয়ে উঠেন রাজপথে নির্যাতিত ছাত্রদের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর,অনেক নির্যাতন, হামলা-মামলার শিকার হওয়া সত্ত্বেও Facebook pageতিনি থেমে থাকেননি এগিয়ে গিয়েছেন, এগিয়ে গিয়েছেন রাজপথে অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে বেগবান করার লক্ষ্যে, নিজের সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করে গেছেন দলকে সুসংগঠিত করতে।
তারপর সময় অনেক গড়িয়েছে নির্যাতন হামলা মামলার বহুবার শিকার হয়েছেন, নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। তারপর এই অগণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী সরকারের রোষানলের শিকার হন, তারপর তিনি দমে যাননি ফিরেছেন, ফিরেছেন আগের চাইতেও বেশি লক্ষণীয়, এবং বলিষ্ঠ চরিত্রে, প্রানপন চেষ্টা করে গেছেন তার ওপর অর্পিত দায়িত্বকে যথাযথভাবে পালন করতে।
বিশেষ করে ৫ই জানুয়ারি নির্বাচনের আগে এবং পরে, দেওয়া হয়েছে হয়রানিমূলক বহু মামলা, কাটাতে হয়েছে ফেরারী জীবন। কোনো অত্যাচারেই থামাতে পারেনি ওমর ফারুক মুন্নার রাজপথের সংগ্রামী ছাত্র রাজনৈতিক পথ চলা, আজও ওমর ফারুক মুন্নাকে দেখা যায়, দেখা যায় রাজপথে ছাত্রদলের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর রূপের। আজও তিনি স্লোগান ধরেন দেশনেত্রীর কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে, দেশনেত্রীর ভয় নাই ছাত্রদল রাজপথ ছাড়ে নাই। এভাবেই অবিরাম ছুটে চলা বকশিবাজার থেকে গুলশান, গুলশান থেকে বকশিবাজার, বিমানবন্দর থেকে গুলশান, গুলশান থেকে উখিয়া । এভাবেই লড়তে থাকুক ওমর ফারুক মুন্নারা, কারণ ওমর ফারুক মুন্নারা রাজপথে থাকলেই বাংলাদেশ পাবে তার কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্র, দেশের মানুষ পাবে তাদের ন্যায্য অধিকার।

তাই আজ‌কে হাইকমা‌ন্ড ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে তৃণমূল ছাত্রদ‌লের দাবি নির্যাতিত এবং ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা হোক। নব্বইয়ের-নেয় ছাত্রদলের স্লোগান গর্জে উঠুক আরেকবার।