একজন ওমর ফারুক মুন্না
ওমর ফারুক মুন্না রাজপথে নির্যাতিত ছাত্রদলের একটি বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, ছাত্রদলের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে যার সংগ্রামী ছাত্ররাজনৈতিক জীবনের পথ চলা শুরু। দীর্ঘ সংগ্রাম রাজপথের সাহসী ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতার সাথে দলকে সুসংগঠিত করতে নেতৃবৃন্দের প্রতি আনুগত্যশীল থেকে অবিরাম নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। যার ফলপ্রসূ হিসেবে তার দীর্ঘ সংগ্রাম এবং রাজপথে ভূমিকাকে মূল্যায়ন করে কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়েছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। তারপর দায়িত্ব পেয়ে তিনি হয়ে উঠেন
রাজপথে নির্যাতিত ছাত্রদের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর,অনেক নির্যাতন, হামলা-মামলার শিকার হওয়া সত্ত্বেও
তিনি থেমে থাকেননি এগিয়ে গিয়েছেন, এগিয়ে গিয়েছেন রাজপথে অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে বেগবান করার লক্ষ্যে, নিজের সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করে গেছেন দলকে সুসংগঠিত করতে।
তারপর সময় অনেক গড়িয়েছে নির্যাতন হামলা মামলার বহুবার শিকার হয়েছেন, নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। তারপর এই অগণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী সরকারের রোষানলের শিকার হন, তারপর তিনি দমে যাননি ফিরেছেন, ফিরেছেন আগের চাইতেও বেশি লক্ষণীয়, এবং বলিষ্ঠ চরিত্রে, প্রানপন চেষ্টা করে গেছেন তার ওপর অর্পিত দায়িত্বকে যথাযথভাবে পালন করতে।
বিশেষ করে ৫ই জানুয়ারি নির্বাচনের আগে এবং পরে, দেওয়া হয়েছে হয়রানিমূলক বহু মামলা, কাটাতে হয়েছে ফেরারী জীবন। কোনো অত্যাচারেই থামাতে পারেনি ওমর ফারুক মুন্নার রাজপথের সংগ্রামী ছাত্র রাজনৈতিক পথ চলা, আজও ওমর ফারুক মুন্নাকে দেখা যায়, দেখা যায় রাজপথে ছাত্রদলের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর রূপের। আজও তিনি স্লোগান ধরেন দেশনেত্রীর কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে, দেশনেত্রীর ভয় নাই ছাত্রদল রাজপথ ছাড়ে নাই। এভাবেই অবিরাম ছুটে চলা বকশিবাজার থেকে গুলশান, গুলশান থেকে বকশিবাজার, বিমানবন্দর থেকে গুলশান, গুলশান থেকে উখিয়া । এভাবেই লড়তে থাকুক ওমর ফারুক মুন্নারা, কারণ ওমর ফারুক মুন্নারা রাজপথে থাকলেই বাংলাদেশ পাবে তার কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্র, দেশের মানুষ পাবে তাদের ন্যায্য অধিকার।
তাই আজকে হাইকমান্ড ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে তৃণমূল ছাত্রদলের দাবি নির্যাতিত এবং ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা হোক। নব্বইয়ের-নেয় ছাত্রদলের স্লোগান গর্জে উঠুক আরেকবার।Facebook page

No comments:
Post a Comment